যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নতুন করে কোনো সামরিক আগ্রাসন চালালে এবার সংঘাত আর মধ্যপ্রাচ্যের সীমানায় আটকে থাকবে না। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি বুধবার এই চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে। নিজেদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট সেপাহ নিউজে দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা জানায়, নতুন কোনো হামলা হলে তাদের ধ্বংসাত্মক আঘাত শত্রুদের এমন কালো মাটিতে ফেলে দেবে যা তারা কল্পনায়ও আনেনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির পরপরই আইআরজিসি-এর হুঁশিয়ারি সামনে এলো।
কয়েক দিনের মধ্যে স্থায়ী সমাধানে পৌঁছাতে না পারলে ইরানে আবারও হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এর জবাবে আইআরজিসি জানিয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল দুটি সেনাবাহিনীর পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার করে হামলা চালানোর পরও ইরান এখনো তাদের পুরো শক্তি প্রয়োগ করেনি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও পশ্চিমাদের সতর্ক করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অনেক বড় `সারপ্রাইজ` অপেক্ষা করছে।
আরাঘচি জোর দিয়ে বলেন, আরও মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংস করতে তেহরান এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
গত কয়েক দিনের যুদ্ধে পাওয়া শিক্ষা কাজে লাগিয়ে তারা এই প্রস্তুতি নিয়েছে। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার গৌরব অর্জন করেছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুরোধে তিনি ইরানে হামলার পরিকল্পনা সাময়িক স্থগিত রেখেছেন, তবে মার্কিন সেনাবাহিনীকে যেকোনো মুহূর্তে বড় হামলার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন।
