ইরানের বিরুদ্ধে নেওয়া মার্কিন প্রশাসনের কঠোর অবস্থান এবং ক্রমাগত হুমকিগুলো ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনছে বলে দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিবিসির উত্তর আমেরিকা সম্পাদক সারাহ স্মিথের সঙ্গে এক সংক্ষিপ্ত টেলিফোন আলাপে ট্রাম্প বলেন, তার গৃহীত পদক্ষেপগুলো বর্তমানে বেশ কার্যকর প্রমাণিত হচ্ছে।
ইরানের সাথে চলমান উত্তেজনা এবং পূর্ববর্তী বিভিন্ন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।সম্প্রতি ইরানের একটি সভ্যতা ধ্বংস করে দেওয়ার বিষয়ে যে মন্তব্য ট্রাম্প করেছিলেন, সে সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি সরাসরি উত্তর না দিয়ে পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দেন।
তিনি দাবি করেন, তেহরান বর্তমানে যেকোনো উপায়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। ট্রাম্পের মতে, তার কঠোর ভাষা এবং কৌশলগত চাপ ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসতে বাধ্য করছে, যা তার সফলতারই প্রমাণ।
একই আলাপচারিতায় ট্রাম্প ন্যাটো জোট এবং যুক্তরাজ্যের ভূমিকা নিয়েও কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনো সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাটোর সামরিক সহায়তার সরাসরি প্রয়োজন নেই, তবুও প্রতীকীভাবে তাদের সেখানে থাকা উচিত ছিল।
ন্যাটো কেন তার সাথে যোগ দেয়নি, এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প জানান যে তিনি কেবল দেখতে চেয়েছিলেন মিত্ররা এই বিষয়ে কতটা আগ্রহী।
যুক্তরাজ্যের সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, ব্রিটিশ সরকারের উচিত ছিল অন্তত নূন্যতম সমর্থনসূচক বক্তব্য দেওয়া। তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাজ্যের ভেতর থেকেই অনেকে তার প্রশাসনকে জানিয়েছেন যে এই যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তটি তাদের জন্য একটি বড় ভুল ছিল।
সামগ্রিকভাবে ট্রাম্পের এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্য এবং মিত্রদের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েনকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
