রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

সীমান্ত উন্নয়ন

সৌদি আরবের সাথে আল জামিমা সীমান্ত চালুর অনুমোদন: অর্থ বরাদ্দ ইরাকের

উম্মাহ কণ্ঠ

প্রকাশিত: : অক্টোবর ২৫, ২০২৬, ০৪:০০ পিএম

সৌদি আরবের সাথে আল জামিমা সীমান্ত চালুর অনুমোদন: অর্থ বরাদ্দ ইরাকের

সৌদি আরবের সাথে সংযোগকারী আল জামিমা সীমান্ত ক্রসিংয়ে নতুন ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণের জন্য আর্থিক বরাদ্দ অনুমোদন করেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল জাইদি। ২০২৭ সালে সীমান্ত পয়েন্টটি চালুর প্রত্যাশা সামনে রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আল মুথান্না প্রদেশের গভর্নর তৌফিক আল হাসানি এক বিবৃতিতে জানান, এই প্রকল্পের আওতায় সামাওয়া শহর থেকে সৌদি সীমান্ত পর্যন্ত মহাসড়ক সংস্কার করা হবে। এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাণিজ্য সম্প্রসারণে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

নির্ধারিত আইনি কাঠামোর আওতায় এই সীমান্ত ক্রসিং থেকে প্রয়োজনীয় রাজস্ব সংগ্রহ করবে প্রদেশটি। এর পরিচালনাগত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে প্রাদেশিক পরিষদের সাথে কাজ করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

আল মুথান্না মরুভূমির আল জামিমা ক্রসিং ঐতিহাসিকভাবে তীর্থযাত্রার প্রধান পথ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। বর্তমানে আল আনবার প্রদেশের আরার সীমান্ত ক্রসিংয়ের মাধ্যমে স্থলপথে বাণিজ্য পরিচালনা করছে ইরাক ও সৌদি আরব, যা প্রায় তিন দশক বন্ধ থাকার পর ২০২০ সালে পুনরায় চালু হয়।

সাবেক সংসদ সদস্য হায়দার আল মোল্লা জানান, এই অবকাঠামোগত প্রকল্পটি প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিস্তৃত করার কেন্দ্রীয় সরকারের বৃহত্তর কৌশলেরই অংশ। সৌদি আরব, তুরস্ক ও সিরিয়ার সাথে বাণিজ্য, জ্বালানি এবং পরিবহন অংশীদারিত্ব জোরদার করা জাতীয় স্বার্থের অনুকূল।

প্রধানমন্ত্রী আলী আল জাইদি গত শুক্রবার একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে জানান যে, সৌদি আরবসহ অন্যান্য উপসাগরীয় দেশের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর বাগদাদ। তিনি এই অঞ্চলের দেশগুলোর সাথে কূটনীতি ও অর্থনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

এদিকে নাজাফ প্রদেশের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সৌদি আরব সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তা সম্পূর্ণ স্থিতিশীল রয়েছে। সীমান্ত প্রাচীর ঘেঁষে নিরাপত্তাবাহিনীর তৎপরতার কারণে কোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি বলে নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা।

banner
Link copied!