শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

কাতার কূটনীতি

যুদ্ধবিরতি ও মার্কিন আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করতে তেহরানে কাতারি মধ্যস্থতাকারীরা

উম্মাহ কণ্ঠ

প্রকাশিত: : অক্টোবর ৩০, ২০২৬, ০৭:৩০ পিএম

যুদ্ধবিরতি ও মার্কিন আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করতে তেহরানে কাতারি মধ্যস্থতাকারীরা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতে যুদ্ধবিরতি পুনরুদ্ধারের বিষয়ে আলোচনা করতে শুক্রবার সকালে তেহরানে পৌঁছান কাতারি মধ্যস্থতাকারীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা কাতারি প্রতিনিধি দলটি দেশটির রাজধানীতে অবতরণ করে। কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জাসিম আল থানির নেতৃত্বে যাওয়া এই দলের তেহরানে পৌঁছানোর খবর প্রকাশ করে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা।

ওয়াশিংটন থেকে আসা পরস্পরবিরোধী বার্তার প্রেক্ষাপটে এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। গত রোববার ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজায়ির কাছে মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্সের পাঠানো একটি চিঠি ইরানি কর্র্তৃপক্ষ ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে বলে জানা যায়।

তবে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উপসাগরীয় মিত্রদের আগামী সপ্তাহের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর একটি সংক্ষিপ্ত উচ্চ তীব্রতার সামরিক অভিযানের জন্য প্রস্তুত থাকতে সতর্ক করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা এড়াতে ইরানকে একটি নতুন কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার প্রস্তাব দিয়ে ভ্যান্সের সেই চিঠিটি পৌঁছে দেয় কাতারি প্রতিনিধি দল।

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে একটি সূত্র জানায়, ওই চিঠি এবং পরবর্তী আলোচনাগুলোতে কোনো সুনির্দিষ্ট শান্তির শর্ত নিয়ে কথা হয়নি। যোগাযোগটি মূলত আলোচনার একটি সম্ভাব্য কাঠামোর ওপর কেন্দ্রীভূত ছিল।

তেহরান থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক রাসুল সারদার জানান যে তেহরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে যে চিঠির সুর মার্কিন প্রশাসনের আগের যোগাযোগগুলোর তুলনায় অনেক বেশি সম্মানজনক ছিল, যা ইরানি কর্র্তৃপক্ষ স্বাগত জানিয়েছে।

সারদার উল্লেখ করেন, ইরানের প্রতিক্রিয়া সংগ্রহ করতেই কাতারি প্রতিনিধি দলটি ভ্রমণ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দলটি একটি সম্ভাব্য নতুন কূটনৈতিক পথের রূপরেখা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনার পরিকল্পনা করেছে।

আল জাজিরার প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। প্রস্তাবিত এই আলোচনাটি কাতারর রাজধানী দোহা অথবা তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

banner
Link copied!