যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে সোমবার রাতে তেহরান সফর করেছেন কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা। বৈঠক সম্পর্কে অবগত এক কর্মকর্তা এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওই কর্মকর্তা জানান, বর্তমান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার একটি চুক্তির খসড়া, যা গত আট দিন ধরে পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সোমবার নিশ্চিত করেছেন যে তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের পরোক্ষ আলোচনা চলছে।
ইরানি বার্তা সংস্থা ইরনাকে দেওয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে আরাকচি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির সংবেদনশীলতা ও গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে আলোচনা অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এই মধ্যস্থতার প্রক্রিয়ায় কাতার ও পাকিস্তান সক্রিয় ভূমিকা পালন করে চলেছে।
এদিকে তেহরানের সঙ্গে চলমান এই আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যার মূল উদ্দেশ্য সশস্ত্র সংঘাতে জড়িয়ে পড়া এড়ানো।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক আগের দিন সোমবার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লেখেন, তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হওয়া সম্ভব। তিনি যোগ করেন যে ইরান যত দ্রুত সম্ভব একটি সমঝোতা চায়।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও আলাদাভাবে জানান যে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের ব্যাপারে তিনি এবং ট্রাম্প উভয়েই আশাবাদী রয়েছেন।
সোমবার সাংবাদিকদের ভ্যান্স বলেন, আমরা নিশ্চিতভাবেই কিছু অগ্রগতি অর্জন করেছি। কর্মকর্তারা এখন দেখছেন আরও কিছুটা দূর এগোনো যায় কি না।
এর আগে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় জ্বালানি তেলের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছিল। তবে আট মাস ধরে চলা এই সংঘাত শেষের সম্ভাবনায় নতুন আশার সঞ্চার হওয়ায় সোমবার তেলের দাম সাত শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে।
