যুক্তরাষ্ট্র ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালানোর পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দাবি করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী তদারকির দায়িত্বে থাকা খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স থেকে রোববার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। কয়েক মাস সরাসরি সংঘাত বন্ধ থাকার পর এই সতর্কবার্তার কারণে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে আবারও বড় ধরনের যুদ্ধের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো আগ্রাসন হলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন ঘাঁটি এবং সামরিক স্থাপনায় তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাত হানা হবে।
নতুন সংঘাতের আশঙ্কায় পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বাড়ছে চরম উত্তেজনা।
ওয়াশিংটনে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন নতুন সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে মূল্যায়ন চালাচ্ছেন, ঠিক তখনই মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের সামরিক নেতৃত্ব আঞ্চলিক দেশগুলোর উদ্দেশ্যে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, যে কোনো দেশ যদি তাদের মাটি, আকাশসীমা বা কৌশলগত স্থাপনা মার্কিন বাহিনীকে ব্যবহারের সুযোগ দেয়, তবে তাদের ওই হামলার সরাসরি সহযোগী হিসেবে গণ্য করা হবে।
ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড স্পষ্ট জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য হামলায় সহায়তাকারী প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকেও তেহরানের সামরিক প্রতিক্রিয়ার আওতায় আনা হতে পারে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতি কোনো ধরনের বিদেশি সামরিক আগ্রাসনে অংশীদার না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিনষ্টের দায় যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর বর্তাবে বলেও অবস্থান তুলে ধরেছে তেহরান।
