মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ফ্যাটি লিভার নিয়ে ঈদে খাদ্যাভ্যাস কেমন হবে? সুস্থ থাকার উপায়

উম্মাহ কণ্ঠ

প্রকাশিত: : মে ২৬, ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম

ফ্যাটি লিভার নিয়ে ঈদে খাদ্যাভ্যাস কেমন হবে? সুস্থ থাকার উপায়

ঈদের আনন্দ মানেই বাহারি সব খাবারের আয়োজন। পোলাও, কোরমা, রেজালা আর নানা পদের মিষ্টান্ন উৎসবের আমেজকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু যারা ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য এই উৎসবের দিনগুলো কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। সামান্য অসচেতনতায় লিভারের ওপর চাপ বাড়তে পারে, যা থেকে হজমের সমস্যা কিংবা অস্বস্তি দেখা দেয়। তবে সঠিক পরিকল্পনা ও সচেতনতা বজায় রাখলে ফ্যাটি লিভারের রোগীরাও স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন।পরিমাণ নিয়ন্ত্রণই হলো ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে রাখার মূল চাবিকাঠি।

ফ্যাটি লিভার মূলত যকৃতে অতিরিক্ত চর্বি জমার একটি শারীরিক অবস্থা। ঈদের সময় মাংসের আধিক্য, ভাজাপোড়া এবং অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার লিভারের এই অবস্থাকে আরও জটিল করতে পারে। তাই একবারে প্লেট ভর্তি খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত। এতে হজম প্রক্রিয়া সহজ হয় এবং লিভারের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে না।মাংস নির্বাচনের ক্ষেত্রে হতে হবে বাড়তি সতর্কতা।

গরু বা খাসির মাংসের চর্বিযুক্ত অংশ এড়িয়ে হাড়ছাড়া বা লিন মিট বেছে নেওয়া সবচেয়ে ভালো। রান্নার সময় মাংসের দৃশ্যমান চর্বি ফেলে দিতে হবে এবং ভুনার পরিবর্তে পাতলা ঝোল বা কম মসলায় রান্না করা মাংস শরীরের জন্য নিরাপদ। মিষ্টি বা কোমল পানীয়ের ক্ষেত্রেও হতে হবে মিতব্যয়ী, কারণ অতিরিক্ত চিনি লিভারে চর্বি জমাতে সরাসরি প্রভাব ফেলে।প্রতিটি ভারী খাবারের সঙ্গে প্রচুর সালাদ রাখা জরুরি।

শসা, টমেটো, গাজর কিংবা সবজির সালাদ হজমশক্তি বাড়াতে এবং পেট দীর্ঘসময় ভরা রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া দিনে ২ থেকে ৩ লিটার পানি পান করলে শরীরে বিপাকক্রিয়া সচল থাকে। খাবারের পাশাপাশি অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস বজায় রাখা ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে রাখার অন্যতম উপায়। ঈদের ছুটিতে অলস সময় না কাটিয়ে হালকা শরীরচর্চা সুস্থ থাকার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম।

banner
Link copied!