সাবেক ব্রিটিশ প্রিন্স অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরের বাসভবনে তল্লাশি চালাতে ব্যবহৃত পরোয়ানাগুলো আইনসম্মত ছিল না বলে আদালতে স্বীকার করেছে টেমস ভ্যালি পুলিশ। লন্ডনের সেন্ট্রাল ক্রিমিনাল কোর্ট বা ওল্ড বেইলি থেকে এই পরোয়ানা সংগ্রহের সময় ভুল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছিল বলে যুক্তরাজ্যের হাইকোর্টকে জানানো হয়েছে। স্যান্ড্রিংহাম এস্টেটের বাসভবন এবং উইন্ডসরের রয়্যাল লজে পরিচালিত ওই তল্লাশি অভিযানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে অ্যান্ড্রুর আইনজীবীরা বিচারিক পর্যালোচনার আবেদন করেছিলেন।
উভয় পক্ষই পরোয়ানাগুলো ত্রুটিপূর্ণ ছিল বলে একমত হয়েছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকারি পদে অসদাচরণের সন্দেহে টেমস ভ্যালি পুলিশ অ্যান্ড্রুকে গ্রেপ্তার করেছিল। তবে শুরু থেকেই তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। ২০১০ সালে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় জেফরি এপস্টাইনকে সংবেদনশীল তথ্য সরবরাহ করেছিলেন এমন অভিযোগ প্রকাশ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়। অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার বাসভবন থেকে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করেছিল।
পরোয়ানা জারির ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক বা পেশাগত গোপনীয় নথি সুরক্ষার সুনির্দিষ্ট আইনি শর্ত ছিল, যা বিবেচনায় বিচারক পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারেননি বলে পুলিশ এখন স্বীকার করেছে। আদালত জানিয়েছে, তল্লাশি পরোয়ানা বেআইনি বিবেচিত হলেও চলমান সামগ্রিক তদন্ত কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত হয়ে যায় না।
