শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পরবর্তী জেমস বন্ড খোঁজার কাজ শুরু করল অ্যামাজন স্টুডিও

উম্মাহ কণ্ঠ

প্রকাশিত: : মে ২৩, ২০২৬, ০৮:৪৮ পিএম

পরবর্তী জেমস বন্ড খোঁজার কাজ শুরু করল অ্যামাজন স্টুডিও

ইতিহাসে এখন পর্যন্ত বারোজন মানুষ চাঁদে হাঁটলেও রুপালি পর্দায় জেমস বন্ড চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাত্র অর্ধেক সংখ্যক মানুষ। দীর্ঘ জল্পনাকল্পনার পর অবশেষে অ্যামাজন এবং এমজিএম স্টুডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে যে পরবর্তী জেমস বন্ড খোঁজার আনুষ্ঠানিক কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এই ব্রিটিশ গুপ্তচরের চরিত্রে কে অভিনয় করবেন, তা নিয়ে প্রাথমিক বাছাই বা অডিশন প্রক্রিয়া এখন পুরোদমে চলছে।নতুন বন্ডকে রুপালি পর্দায় ফিরিয়ে আনতে একটি শক্তিশালী এবং দক্ষ দল গঠন করা হয়েছে।

অ্যামাজন গত বছর এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি অধিগ্রহণের পর প্রখ্যাত পরিচালক ডেনিস ভিলেনিউভ এবং চিত্রনাট্যকার স্টিভেন নাইটকে এই মেগা প্রকল্পে যুক্ত করেছে। প্রবীণ কাস্টিং ডিরেক্টর নিনা গোল্ড এখন অসংখ্য তরুণ অভিনেতার মধ্য থেকে একজনকে ‘লাইসেন্স টু কিল’ বা জিরো জিরো সেভেন হিসেবে বেছে নেওয়ার কাজ করছেন। চরিত্রটি ব্রিটিশ সংস্কৃতির একটি অমূল্য সম্পদ হলেও অতীত ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়ান অভিনেতা জর্জ ল্যাজেনবি এবং আইরিশ তারকা পিয়ার্স ব্রসনান এই চরিত্রে সফলভাবে অভিনয় করেছেন। 

এই মুহূর্তে নতুন বন্ড হিসেবে বাজিকরদের পছন্দের তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে আছেন ব্রিসবেনে জন্ম নেওয়া অস্কার মনোনীত অস্ট্রেলিয়ান তারকা জ্যাকব এলর্ডি। সম্প্রতি সল্টবার্ন এবং উদারিং হাইটস চলচ্চিত্রে নিখুঁত ব্রিটিশ উচ্চারণে অভিনয় করে তিনি সমালোচকদের নজর কেড়েছেন।

চরিত্রের স্রষ্টা ইয়ান ফ্লেমিংয়ের মূল বইগুলোতে বন্ডের বাবা ছিলেন স্কটিশ এবং মা ছিলেন সুইস নাগরিক। বইয়ের বর্ণনায় তিনি শৈশবের বড় একটা সময় বিদেশে কাটানোর পর ইংল্যান্ডের বিখ্যাত ইটন কলেজে পড়াশোনা শুরু করেন। বন্ড চরিত্রে আইরিশ বা অস্ট্রেলিয়ান অভিনেতাদের সুযোগ থাকলেও আমেরিকান কোনো অভিনেতাকে এই আইকনিক চরিত্রে নেওয়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। 

ক্যালিফোর্নিয়ার জনপ্রিয় অভিনেতা অস্টিন বাটলার নিজেই এই চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাবকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করে নিজেকে এই দৌড় থেকে সরিয়ে নিয়েছেন। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির তিনবারের চিত্রনাট্যকার ব্রুস ফেয়ারস্টেইন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে জানান যে আন্তর্জাতিকভাবে জেমস বন্ড চরিত্রটি এত বেশি জনপ্রিয় হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো চরিত্রটি আমেরিকান নয়। বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে আমেরিকার ক্রমবর্ধমান সাংস্কৃতিক আধিপত্যের বিপরীতে ব্রিটিশ পরিচয়ের প্রতীক হিসেবেই বন্ডের উত্থান ঘটেছিল।

banner
Link copied!