বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কোরবানির চামড়া অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখা সম্ভব: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

উম্মাহ কণ্ঠ

প্রকাশিত: : মে ২১, ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম

কোরবানির চামড়া অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখা সম্ভব: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

কোরবানির পশুর মাংসের পাশাপাশি চামড়া ও অন্যান্য উপজাত সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা গেলে জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, চামড়ার গুণগত মান রক্ষা ও সঠিক সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ আরও বাড়বে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে আয়োজিত কোরবানি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চামড়া সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় দক্ষ জনবল তৈরির কোনো বিকল্প নেই।

প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, কোরবানিকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক মানুষ পশু জবাই, চামড়া ছাড়ানো ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকেন। বিশেষ করে চামড়া ছাড়ানোর মতো সংবেদনশীল কাজে প্রশিক্ষণ না থাকলে গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এর ফলে বাজারের মূল্য কমে যায়। দক্ষ জনবল তৈরির মাধ্যমে এই ক্ষতি রোধ করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনার প্রস্তাব করেছেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের আওতায় এনে কোরবানির সময় দক্ষ জনবল তৈরি করা যেতে পারে। এতে চামড়ার গুণগত মান বাড়বে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য স্বল্পমেয়াদি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সরকার সারা বছরব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করবে বলেও তিনি জানান। চামড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রে মাদ্রাসায় দান করা হয়, তাই লবণ সরবরাহসহ সব ধরনের সরকারি সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

সঠিক উপায়ে চর্বি পরিষ্কার ও লবণ প্রয়োগ করতে হবে।

সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে চামড়ার মান বৃদ্ধি পাবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত হবে। বর্তমানে বাংলাদেশ কোরবানিযোগ্য পশু উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দেশীয় উৎপাদন দেশের চাহিদা পূরণে সক্ষম। খামারিদের সুরক্ষা ও জাতীয় স্বার্থে অবৈধভাবে চোরাই পথে পশু ক্রয়ের বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

banner
Link copied!