বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ইসরায়েলে নির্বাচনে লড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন ট্রাম্প

উম্মাহ কণ্ঠ

প্রকাশিত: : মে ২১, ২০২৬, ১০:৫২ পিএম

ইসরায়েলে নির্বাচনে লড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্টের বর্তমান মেয়াদ শেষে ইসরায়েলে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ৯৯ শতাংশ ইসরায়েলি তাকে সমর্থন করে। বুধবার মার্কিন কোস্ট গার্ড একাডেমির স্নাতক সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।ট্রাম্প নিজের জনপ্রিয়তা নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করেছেন।

ইসরায়েলে নিজের বিপুল জনপ্রিয়তার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, এই কাজ অর্থাৎ মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব শেষ করার পর হয়তো তিনি ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। তিনি দাবি করেন, আজ সকালে একটি জনমত জরিপে দেখা গেছে দেশটিতে তার সমর্থন ৯৯ শতাংশ। তবে তিনি ঠিক কোন জরিপের কথা বলছেন তা স্পষ্ট করেননি।নেতানিয়াহু প্রসঙ্গে তিনি করেন নানা মন্তব্য।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প আধিপত্যের সুরে বলেন, তিনি খুব ভালো মানুষ এবং আমি যা বলব তিনি সেটাই করবেন। তিনি নেতানিয়াহুকে অসাধারণ ব্যক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেন। ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নেতানিয়াহুকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে না অভিযোগ করে তিনি বলেন, ভুলে যাবেন না যে তিনি একজন যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু তার সঙ্গে সঠিক আচরণ করা হচ্ছে না।ট্রাম্পের এই মন্তব্য বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এটি ট্রাম্পের স্বভাবসুলভ রাজনৈতিক রসিকতা হিসেবে দেখা হলেও নেতানিয়াহুর ওপর তার মার্কিন নিয়ন্ত্রণ প্রকাশের ধরনটি নিয়ে নানা মহলে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। সমর্থকদের মতে, এটি কেবল তার আত্মবিশ্বাসের অংশ, কিন্তু সমালোচকরা এটিকে মনোযোগ আকর্ষণের সস্তা কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ফলে ট্রাম্প অনেকের কাছে জনপ্রিয় হলেও তার নতুন মন্তব্য বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।নেতানিয়াহুকে অনুগত হিসেবে উপস্থাপন করায় তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।

বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুকে একজন স্বাধীন রাষ্ট্রপ্রধানের চেয়ে ট্রাম্পের অনুগত হিসেবে উপস্থাপন করায় ইসরায়েলের ভেতরের অনেক ডানপন্থী নেতা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ইরান ও গাজা সংকটের মধ্যে এই বক্তব্য ইসরায়েলি সার্বভৌমত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। রাজনৈতিক মহলে এখন চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে যে এটি কেবলই রসিকতা নাকি ক্ষমতার প্রদর্শনী।

banner
Link copied!