সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

সিরিয়ায় নিরাপত্তা অভিযান

দেইর ইজযোরে সন্দেহভাজন দুই আইএস সদস্য গ্রেপ্তার: দাবি সিরীয় প্রশাসনের

উম্মাহ কণ্ঠ

প্রকাশিত: : নভেম্বর ২, ২০২৬, ০৭:০০ এএম

দেইর ইজযোরে সন্দেহভাজন দুই আইএস সদস্য গ্রেপ্তার: দাবি সিরীয় প্রশাসনের

সিরীয় কর্তৃপক্ষ গত রবিবার দেশের পূর্বাঞ্চলীয় এলাকা থেকে সন্দেহভাজন দুই আইএস সদস্যকে আটকের কথা জানিয়েছে। কর্মকর্তারা এই দুজনকে বেশ কয়েকটি লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী করেছেন।

অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী অভিযানটির বিস্তারিত জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়, দেইর ইজযোর প্রদেশে নিবিড় গোয়েন্দা নজরদারির পরই এই গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হয়।

ওই দুই সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে গোটা এলাকায় বেশ কয়েকটি গুপ্তহত্যার অভিযোগ রয়েছে। তাদের সর্বশেষ শিকার ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদস্য ইব্রাহিম আল জাসেম, যাকে মায়াদিন শহরে আক্রমণ করা হয়েছিল।

বাশার আল আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করে ২০২৪ সালের শেষ দিকে নতুন নেতৃত্ব ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের নতুন প্রশাসন নিয়মিতভাবেই সন্দেহভাজন আইএস সদস্য ও তাদের গোপন আস্তানা আটকের খবর জানিয়ে আসছে।

আইএস ২০১৪ সালে সিরিয়া ও প্রতিবেশী ইরাকের বিশাল অংশ দখল করে নিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তাদের সেই আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণের পতন ঘটে। দলটি ২০১৭ সালে ইরাকে এবং ২০১৯ সালে সিরিয়ায় তাদের শেষ শক্তঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ হারায়।

ক্ষমতা কমে এলেও এই সশস্ত্র নেটওয়ার্কটি মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন হামলার দায় স্বীকার করে আসছে। তাদের মূল লক্ষ্য থাকে সিরিয়ার ভেতরের নিরাপত্তা কর্মীরা।

গত জুলাই মাসে দামেস্কে ঘটা একটি বোমা হামলার জন্য এই গোষ্ঠীটিকে দায়ী করেছিল সিরীয় কর্তৃপক্ষ। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ওই সফরের সময় ঘটে যাওয়া হামলার পেছনে থাকা নির্দিষ্ট সেই সেলটিকে ধ্বংস করা হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানান।

ওই একই মাসে জাতিসংঘ নিরাপত্তা কাউন্সিলে পেশ করা এক প্রতিবেদনে অনুমান করা হয় যে, সিরিয়ার ভেতরে দলটির প্রায় ৩,০০০ যোদ্ধা অবস্থান করছে।

জাতিসংঘের ওই একই নথিতে দেখা যায়, নিরাপত্তা বাহিনী প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারাআসহ সিরীয় কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে চালানো একাধিক গুপ্তহত্যার পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দিয়েছে।

banner
Link copied!