আমেরিকার বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্য এবং রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে মঙ্গলবার ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন, যা আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই নির্বাচন মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস এবং রয়টার্সের তথ্যমতে, আসন্ন এই নির্বাচন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য একটি গণভোট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। যুদ্ধের উত্তাপ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ভোটারদের মাঝে উদ্বেগ রয়েছে।
আল জাজিরা এবং এপি জানিয়েছে, আলাবামা, ক্যালিফোর্নিয়া, ওকলাহোমা, জর্জিয়া এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রাথমিক নির্বাচন বা প্রাইমারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলো এই নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের চূড়ান্ত প্রার্থী বাছাই করবে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা বর্তমানে চাপের মুখে রয়েছে, বিশেষ করে ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে। ভোটাররা এখন এই পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করেই তাদের রায় প্রদান করবেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই প্রাইমারিগুলো নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনের চিত্র পরিষ্কার করবে। কংগ্রেসের ক্ষমতা পুনর্গঠনের লড়াইয়ে উভয় দলই তাদের নিজেদের প্রার্থীকে জয়ী করতে মরিয়া। ভোটাররা যখন ভোটকেন্দ্রে যাবেন, তখন মুদ্রাস্ফীতি এবং বৈদেশিক নীতি তাদের পছন্দের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। পুরো দেশের নজর এখন এই কেন্দ্রগুলোর দিকে, যেখানে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে।
বর্তমানে মার্কিন অর্থনীতির ওপর যুদ্ধের প্রভাব জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। তেলের দাম বৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতির মতো বিষয়গুলো ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক দল এই পরিস্থিতিকে পুঁজি করে ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে নির্বাচনী প্রচার আরও জোরদার হবে এবং এই প্রাইমারিগুলো সেই প্রচারের ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে কাজ করবে।
