বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

হরমুজ প্রণালী

হরমুজ প্রণালীর কাছে দ্বিতীয় তেল ট্যাংকারে আগুন: ইরানের দাবি

উম্মাহ কণ্ঠ

প্রকাশিত: : অক্টোবর ১৫, ২০২৬, ১০:০০ পিএম

হরমুজ প্রণালীর কাছে দ্বিতীয় তেল ট্যাংকারে আগুন: ইরানের দাবি

ইরানি নৌবাহিনী বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালীর পূর্বে একটি নিষিদ্ধ অঞ্চলে নতুন করে আরও একটি তেল ট্যাংকারে আগুন লাগার খবর জানিয়েছে। নিয়মিত টহল দেওয়ার সময় নজরদারি দলগুলো জ্বলন্ত জাহাজটিকে দেখতে পায়।

নৌবাহিনীর জনসংযোগ কার্যালয় জানিয়েছে যে জাহাজটি একটি অননুমোদিত এলাকা অতিক্রম করার চেষ্টা করছিল। ওই সময় জাহাজটির ট্র্যাকিং সিস্টেম বন্ধ ছিল।

কর্তৃপক্ষ ট্যাংকারটির পরিচয়, এর পতাকা বা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করেনি। এমনকি আগুন লাগার কারণ, সম্ভাব্য হতাহতের ঘটনা বা নাবিকদের সম্পর্কেও কোনো বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

সামরিক বাহিনী জোর দিয়ে বলেছে যে হরমুজ প্রণালী বর্তমানে নিয়মিত নৌবাহিনী এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের নৌবাহিনীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবারও অনুরূপ একটি ঘটনার কথা জানানো হয়েছিল। সে সময় বলা হয় যে প্রণালীর পূর্বে ট্র্যাকিং সিস্টেম বন্ধ রেখে একটি নিষিদ্ধ অঞ্চলে প্রবেশের পর আরেকটি ট্যাংকারে আগুন ধরে যায়।

বুধবার ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের নৌবাহিনী জানায় যে আড়াই হাজারের বেশি কন্টেইনার বহনকারী একটি কন্টেইনার জাহাজ ডুবে গেছে। প্রণালীর দক্ষিণে একটি অননুমোদিত পথ ধরে চলার সময় জাহাজটি একটি সামুদ্রিক মাইন আঘাত করে।

অঞ্চলটিতে বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচলের ওপর ইরানের কঠোর সামুদ্রিক নিয়ম আরোপের পরই এসব ঘটনা ঘটছে। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে এই প্রণালীটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পথ।

এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার আলোচনার একটি প্রধান বিরোধপূর্ণ বিষয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল এবং পরে এপ্রিলে একটি যুদ্ধবিরতি হয়।

গত জুন মাসে উভয়পক্ষ একটি রূপরেখা চুক্তিতে স্বাক্ষর করা সত্ত্বেও আলোচনা থমকে যাওয়ায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সংঘর্ষের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।

banner
Link copied!