যৌথ সীমানার নিয়ন্ত্রণ কঠোর এবং নিরাপত্তা সমন্বয় আরও জোরদার করার লক্ষ্যে গত বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসেছেন ইরাক ও সৌদি আরবের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। পারস্পরিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করাই ছিল এই আলোচনার মূল উদ্দেশ্য।
এর আগে রিয়াদে ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আলী আল জাইদি ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে মূলত আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল।
সৌদি আরব কিংবা বৃহত্তর অঞ্চলের নিরাপত্তাকে হুমকিতে ফেলে এমন কোনো হামলা চালানোর জন্য ইরাকি ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন জাইদি। তাঁর গণমাধ্যম শাখা থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
তেহরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে ইরাক থেকে উৎক্ষেপিত হামলার শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছে সৌদি আরবসহ বেশ কয়েকটি আরব দেশ। গত ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার ইরান যুদ্ধের সময় এসব হামলার ঘটনা ঘটেছিল।
ইরাকি সীমান্ত বাহিনী কমান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরাকের পঞ্চম সীমান্ত অঞ্চল কমান্ড এবং উত্তর ও পূর্ব অঞ্চলের সৌদি সীমান্তরক্ষী কমান্ডের মধ্যে একটি নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারি বার্তা সংস্থা ইরাকি নিউজ এজেন্সি এই বিবৃতি প্রচার করেছে।
সীমান্তবর্তী এলাকার নিয়ন্ত্রণ কঠোর করা, স্থিতিশীলতা সুসংহত করা এবং নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করাই ছিল এই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়।
গত ২৭ আগস্ট বাগদাদে ইরাকি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন সৌদি নিরাপত্তা ও সামরিক প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। ওই বৈঠকে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান তীব্র করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল।
গত ফেব্রুয়ারিতে সৌদি আরব সফর করেছিলেন ইরাকি সীমান্ত বাহিনী কমান্ডের প্রধান মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাব সুক্কার। সেখানে তিনি সৌদি উপস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল আজিজ বিন মোহাম্মদ বিন আয়্যাফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ সমন্বয় ও প্রশিক্ষণ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন।
