সোমবার, ০৮ জুন, ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

রাতে কাঁপল দেশ ভুটানে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প

উম্মাহ কণ্ঠ

প্রকাশিত: : জুন ৮, ২০২৬, ১২:২৪ এএম

রাতে কাঁপল দেশ ভুটানে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প

রোববার রাতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৫.৭ মাত্রার একটি মাঝারি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে এই কম্পন টের পাওয়া যায় বলে অ্যান্ড্রয়েড আর্থকোয়েক অ্যালার্ট সিস্টেম সতর্কবার্তায় জানিয়েছে। সিস্টেমের স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তিতে ভূমিকম্পের তীব্রতা ও অবস্থান সম্পর্কে তাৎক্ষণিক তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৩৯.৪ মাইল দূরে ভুটানে।

ভুটানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হানা এই কম্পনের প্রভাব পার্শ্ববর্তী সিকিম, দার্জিলিং এবং শিলিগুড়ি অঞ্চলেও পড়েছে। ভূগর্ভস্থ তীব্র ঝাঁকুনির ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বহুতল ভবনের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ঘর ছেড়ে দ্রুত নিরাপদ ও খোলা জায়গায় নেমে আসেন। তাৎক্ষণিকভাবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমের সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে যে মূল কম্পনের পর সাধারণত আফটারশক বা পরবর্তী ছোট ঝাঁকুনি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। এ সময় সবাইকে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ঘরের বাইরে বা অন্য কোনো কক্ষে যাওয়ার আগে সবাইকে দ্রুত জুতো পরে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যাতে কাঁচের টুকরো বা ভাঙা জিনিসের আঘাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

এছাড়া গ্যাস লাইনে কোনো লিক বা গন্ধ পাওয়া গেলে ভবনের মূল গ্যাস সংযোগটি দ্রুত বন্ধ করতে বলা হয়েছে। পানি সরবরাহ বন্ধ থাকলে ওয়াটার হিটার বা বরফ গলিয়ে জরুরি পানির ব্যবস্থা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি পরীক্ষা করার সময় কোনো বৈদ্যুতিক বা পানির লাইন ভাঙা দেখলে মূল ভালভ বন্ধ রাখা জরুরি। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সুনামি এড়াতে দ্রুত উচুঁ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে।

সরকারি বিভিন্ন সংস্থা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তবে এখন পর্যন্ত দেশের কোথাও কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। বাসিন্দাদের শান্ত থাকতে এবং যাচাইহীন তথ্যে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

banner
Link copied!