ইরানের সঙ্গে আরেকটি সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের সব ধরনের প্রস্তুতি পুরোপুরি সম্পন্ন করেছে ইসরায়েল। গত শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন করে শত্রুতা শুরু হলে তার মোকাবিলায় দেশটির সামরিক বাহিনী প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক উভয় পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। তবে এই সংঘাতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে মার্কিন প্রশাসনের ওপর নির্ভর করছে।
,ইয়েদিওথ আহরোনোথ পত্রিকাকে দেশটির রাজনৈতিক সূত্র জানিয়েছে যে ইসরায়েল আরেকটি লড়াইয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। তবে এই নতুন সংঘাতের সময়সীমা নির্ধারণের চাবিকাঠি ইসরায়েলি সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের হাতে নেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে নতুন কোনো কূটনৈতিক চুক্তি করবেন নাকি ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে পুনরায় বিমান হামলার নির্দেশ দেবেন, তার ওপরই সব কিছু নির্ভর করছে।
,এই প্রস্তুতি শুধু প্রাথমিক কোনো কৌশলগত পরিকল্পনাতেই সীমাবদ্ধ নয়। ইসরায়েলি বিমানবাহিনী গত কিছুদিন ধরে একাধিক মহড়া চালিয়েছে যাতে অংশ নিয়েছে বহু যুদ্ধবিমান ও রিফুয়েলিং বিমান। সম্ভাব্য আক্রমণ ও পালানোর রুট মহড়া করতে এসব বিমান সিরিয়া ও ইরাকের আকাশসীমা পেরিয়ে সরাসরি ইরানি সীমান্তের কাছাকাছি পর্যন্ত উড়ে গেছে।
,এদিকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বেশ কিছু সামরিক বিকল্প প্রস্তাব পেশ করেছেন। ওই বৈঠকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইন উপস্থিত ছিলেন। তবে সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি।
,গত কয়েকদিনে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ১০টি ভারী পরিবহন বিমান ইসরায়েলি বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেছে। এসব বিমানে করে বিভিন্ন সরঞ্জাম ও অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করা হয়েছে। ওয়াশিংটন সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি হিসেবে এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করছে।
