বুধবার, ০৩ জুন, ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

তীব্র গরমে বমির সমস্যা: বাঁচতে কী করবেন এবং করণীয় কী?

উম্মাহ কণ্ঠ

প্রকাশিত: : জুন ৩, ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম

তীব্র গরমে বমির সমস্যা: বাঁচতে কী করবেন এবং করণীয় কী?

চলমান তীব্র দাবদাহে শহর থেকে গ্রাম — সর্বত্রই জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই তাপমাত্রার পারদ দ্রুত বাড়তে থাকায় মানুষের শরীরের স্বাভাবিক সামঞ্জস্য নষ্ট হচ্ছে। এমন অস্বস্তিকর আবহাওয়ার কারণে অনেকের মধ্যেই হঠাৎ বমি ও মাথা ঘোরার মতো মারাত্মক শারীরিক জটিলতা দেখা দিচ্ছে।তীব্র গরমে বমির সমস্যা মূলত হিট এক্সহউশন বা অতিরিক্ত গরমের কারণে হয়ে থাকে।

এই চরম গরমে শরীরে প্রচণ্ড তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে বমির পাশাপাশি শরীর অতিরিক্ত ঘেমে যায় এবং মাথা ঘোরা বা দুর্বলতা দেখা দেয়। এর বাইরে আরেকটি বড় কারণ হলো গরমের দিনে খাবার ও পানিতে ক্ষতিকর জীবাণুর বংশবৃদ্ধি অনেক বেড়ে যায়। এই দূষিত খাবার বা পানি গ্রহণের ফলে পেটের নানাবিধ সমস্যা এবং ফুড পয়জনিং হয়ে বমি শুরু হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিকভাবে রোদ থেকে সরে এসে কোনো ঠান্ডা বা ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

 

 

 

 

আক্রান্ত ব্যক্তিকে এ সময় ধীরে ধীরে ওআরএস বা খাবার স্যালাইন পান করাতে হবে। বমির সাথে যদি পেট খারাপের সমস্যা থাকে, তবে একটি পুরো প্যাকেট ওআরএস এক লিটার পরিষ্কার পানিতে ভালোভাবে গুলে নিয়ে অল্প অল্প করে খাওয়াতে হবে। বমি বন্ধ করার জন্য ওনডেম জাতীয় ওষুধ অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে ওষুধ খাওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যে যদি আবার বমি হয়ে যায়, তবে সেই ওষুধটি পুনরায় খাওয়াতে হবে, অন্যথায় বমি নিয়ন্ত্রণে আসবে না।

যদি ওষুধ খাওয়ার পরেও বমি ক্রমাগত চলতেই থাকে, তবে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং প্রয়োজনে ইনজেকশন দিতে হবে। গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ভুল করেও এই জাতীয় কোনো ওষুধ খাওয়া যাবে না। এই সময়ে শরীর সুস্থ রাখতে কয়েকদিন সম্পূর্ণ তেল-মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলে একদম হালকা ও সহজে হজমযোগ্য খাবার খাওয়া উচিত।

banner
Link copied!