ইরানের সংকট ও যেকোনো জাতীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যই সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইরানি শাসন কাঠামোর প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতার অনুমোদন ও নির্দেশনায় গ্রহণ করা হয়। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবির প্রধানের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট এ কথা বলেন।জাতীয় সংহতি রক্ষা করা সামরিক শক্তির চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বৈঠকে বলেন, সংবেদনশীল সময়ে দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পেছনে জনগণের ভূমিকা ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর পারস্পরিক সহযোগিতা অনন্য। তিনি দাবি করেন, বিভাজন বা মতভেদ এড়াতে তিনি অনেক স্পর্শকাতর বিষয়ে জনসম্মুখে কথা বলা এড়িয়ে চলেন। তার মতে, বর্তমানে ইরানের মূল লক্ষ্য ক্ষেপণাস্ত্র বা সামরিক শক্তি নয়, বরং দেশের ভেতরের শান্তি ও সামাজিক ঐক্য সুনিশ্চিত করা।
তিনি বলেন, কোনো সিদ্ধান্তই সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের কাঠামোর বাইরে নেওয়া হয় না। বিশেষ করে ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির অনুমোদন ছাড়া রাষ্ট্র কোনো পদক্ষেপই গ্রহণ করে না। কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইরানের অবস্থান নিয়ে তিনি বলেন, বিদেশের মাটিতে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় সব রাজনৈতিক দল ও প্রতিষ্ঠানের একই সুর থাকা প্রয়োজন।
আইআরআইবি কর্তৃপক্ষকে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, যেন তারা জাতীয় ঐক্য ও সংহতির পক্ষে জনমত গঠন করে। পেজেশকিয়ান বিশ্বাস করেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তর যদি সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশনা অনুসরণ করে চলে, তবেই দেশের শত্রুরা তাদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হবে।
