কৃষ্ণসাগরে ড্রোন হামলায় ডুবে যাওয়া একটি পণ্যবাহী জাহাজের নিখোঁজ নাবিকদের উদ্ধারে পরিচালিত অভিযান কোনো জীবিত আরোহীর সন্ধান না পেয়েই সমাপ্ত ঘোষণা করেছে বুলগেরিয়া কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার ভোরে দেশটির জলসীমার কাছাকাছি দুটি বাণিজ্যিক জাহাজে সরাসরি ড্রোন আঘাত হানে। চলমান সংঘাতের মধ্যে এই হামলায় একটি জাহাজে আগুন ধরে যায় এবং অপর জাহাজটি সাগরে নিমজ্জিত হয়।
সমুদ্রে কোনো নাবিকের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
বুলগেরিয়ার মেরিটাইম সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ কোঅর্ডিনেশন সেন্টারের প্রধান রুমেন নিকোলভ বুধবার সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন যে মঙ্গলবারের গভীর রাতে তল্লাশি অভিযান স্থগিত করা হয়েছে এবং এটি আর চালু করা হবে না। আগুন লাগা অপর জাহাজটি থেকে ১৮ জন তুর্কি ও ভারতীয় নাবিককে সফলভাবে উদ্ধার করে ভার্না বন্দরে সরিয়ে নিয়েছে সীমান্ত পুলিশ। তবে ডুবে যাওয়া জলযানের আরোহীদের ভাগ্য অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
ডুবে যাওয়া জাহাজে ১০ জন আরোহী ছিলেন বলে জানা গেছে।
সরকারিভাবে নিখোঁজের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করা না হলেও স্থানীয় নৌ-সংক্রান্ত বিশেষায়িত মাধ্যম মেরিটাইম.বিজি জানিয়েছে যে ধ্বংস হওয়া ওই জাহাজে অন্তত ১০ জন আরোহী অবস্থান করছিলেন। কৃষ্ণসাগরের বাণিজ্যিক নৌপথে সাম্প্রতিক সময়ে মানববিহীন বিমানের আক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বেসামরিক পণ্য পরিবহন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
নিরাপত্তা সংকটের কারণে সংশ্লিষ্ট উপকূলবর্তী অঞ্চলে উদ্ধারকাজ চালানো ক্রমশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।
