যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাব এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার শর্তাবলি পর্যালোচনা শুরু করেছে ইরান। কাতারের মধ্যস্থতায় তেহরানের প্রাথমিক প্রস্তাবের জবাবে ওয়াশিংটন তাদের আনুষ্ঠানিক পাল্টা জবাব পাঠিয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। তেহরানের শীর্ষ নীতিনির্ধারকেরা বর্তমানে মার্কিন প্রস্তাবের প্রতিটি ধারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন।
কূটনৈতিক তৎপরতার মাঝেও নৌপথে সামরিক সংঘাত চলছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে প্রতিদিনই সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। একটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে সম্প্রতি অন্তত তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে গোলার আঘাত লেগেছে। ওয়াশিংটনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা চলমান আলোচনাকে গঠনমূলক বলে অভিহিত করলেও জানান যে পারমাণবিক বিষয়ে বিদ্যমান মতপার্থক্যের কারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে বিলম্ব হচ্ছে।
হরমুজ প্রণালী ঘিরে অচলাবস্থা কাটেনি।
এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক সফরের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই। তিনি নেতানিয়াহুকে উদ্দেশ্য করে কড়া ভাষায় বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে বিদেশি সামরিক ঘাঁটি যেভাবে স্থায়ী শান্তি আনতে পারেনি, তেমনি গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ চালানো ব্যক্তিদের জায়গা দিয়েও কোনো ইতিবাচক ফলাফল আসবে না। আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি না করতে এবং কৌশলগত ইরানি দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে দাবি তোলা থেকে আবুধাবিকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের ঠিক এক মাস আগে আমিরাত সফর করেন নেতানিয়াহু। গণমাধ্যমের খবরে দাবি করা হয়, ২০২৩ সালের সাত অক্টোবরের সংঘাত শুরুর ঠিক আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান সম্ভাব্য বড় ধরনের আক্রমণ সম্পর্কে ইসরায়েলি নেতৃত্বকে আগাম সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন।
