বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আগামীকাল মুখোমুখি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক

উম্মাহ কণ্ঠ

প্রকাশিত: : জুন ২৫, ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আগামীকাল মুখোমুখি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক

চলমান ফিফা বিশ্বকাপে আগামীকাল গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বলে দিনাজপুর টিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় ডি গ্রুপের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে টানা ২ ম্যাচে জয়লাভ করে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করা স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই ম্যাচটি মূলত নিজেদের ছন্দ ধরে রাখার লড়াই। অন্যদিকে টানা ২ ম্যাচ হেরে ইতিমধ্যে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিশ্চিত হওয়া তুরস্কের প্রধান লক্ষ্য থাকবে একটি সান্ত্বনার জয় নিয়ে বিশ্বমঞ্চ ছাড়ার।

ইতিমধ্যে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাওয়া সাবেক বিশ্বমঞ্চের তৃতীয় স্থান অধিকারী তুরস্কের পারফরম্যান্স নিয়ে ফুটবল মহলে নানা বিশ্লেষণ চলছে। ২০০২ সালের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলে তৃতীয় স্থান অর্জন করা তুরস্কের বর্তমান নতুন প্রজন্মটি এবার ভক্তদের প্রত্যাশা পুরোপুরি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার কাছে ২-০ এবং প্যারাগুয়ের কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে গেছে দলটি। নকআউটের আশা শেষ হয়ে গেলেও ২০০২ সালের পর বিশ্বমঞ্চে আরেকটি স্মরণীয় জয় উপহার দিতে মরিয়া হয়ে মাঠে নামবে তারা। যা কম স্পষ্ট তা হলো তুরস্কের এই তরুণ দল আগামী ম্যাচগুলোতে তাদের কৌশলগত ঘাটতি কীভাবে কাটিয়ে উঠবে।

বিপরীতে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের সামনে রয়েছে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে টানা ৩ ম্যাচ জয়ের এক অনন্য রেকর্ডের সুবর্ণ হাতছানি। প্রথম দুই ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ৪-১ এবং অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে উড়তে থাকা যুক্তরাষ্ট্র এই ম্যাচে বাড়তি কোনো চাপ নিতে চাইছে না। নকআউট পর্বের মহাগুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের আগে দলের ফুটবলারদের চূড়ান্তভাবে ঝালিয়ে নেওয়ার এই সুযোগটি পুরোপুরি কাজে লাগাতে চান দলটির প্রধান কোচ মরিসিউ পচেত্তিনো। আন্তর্জাতিক ফুটবলের সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এ পর্যন্ত দুই দল মোট ৫বার মুখোমুখি হয়েছে যার পরিসংখ্যান বেশ সমানে সমান। এর মধ্যে দুই দলই ২টি করে ম্যাচ জিতেছে এবং বাকি একটি ম্যাচ ড্র হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্বাগতিক দেশের দর্শক ও নিজেদের মাঠে খেলার বাড়তি সুবিধা নিয়ে মার্কিন দল এই টুর্নামেন্টে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। দলের নির্ভরযোগ্য স্ট্রাইকার এবং মধ্যমাঠের খেলোয়াড়দের চমৎকার সমন্বয় প্রথম দুই ম্যাচেই তাদের বড় জয় এনে দিয়েছে। প্রধান কোচের রণকৌশল এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল শৈলী ইতিমধ্যে ফুটবল বিশ্লেষকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। অপরদিকে তুরস্কের কোচ তাদের রক্ষণভাগ পুনর্বিন্যাস করে শেষ ম্যাচে সম্মানজনক একটি ফলাফল অর্জনের চেষ্টা চালাচ্ছেন। বিশ্বকাপের এই ম্যাচটি গ্রুপ পর্বের আনুষ্ঠানিকতা মাত্র হলেও দুই দলের জন্যই এটি আত্মমর্যাদা ও ভবিষ্যৎ প্রস্তুতির এক বড় মঞ্চ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। 

banner
Link copied!