রাশিয়ার ক্রাসনোদর অঞ্চলে আফিপস্কি তেল শোধনাগারে মঙ্গলবার একটি তীব্র ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে এএফপি ও রয়টার্স নিশ্চিত করেছে। আঞ্চলিক গভর্নর ভেনিয়ামিন কোন্দ্রাতিয়েভ জানিয়েছেন যে এই হামলায় অন্তত দুইজন নিহত এবং অপর দুইজন আহত হয়েছেন। ইউক্রেনীয় বাহিনীর পক্ষ থেকে এই শিল্প স্থাপনাটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। হামলার পরপরই শোধনাগার চত্বরে বড় ধরনের আগুন ধরে যায় এবং স্থানীয় জরুরি সেবা কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন।
এই প্রযুক্তিগত রূপান্তর চীনের উৎপাদন খাতকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে।
গোলাবারুদ ও ড্রোন প্রতিহত করার সময় পতনশীল ড্রোনের খণ্ডাংশ আফিপস্কাইয়া রেলস্টেশন এবং পার্শ্ববর্তী আবাসিক এলাকায় আছড়ে পড়ে। এর ফলে অন্তত দশটি বেসরকারি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং রেলওয়ে স্টেশনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর সাধারণ স্টাফ দপ্তর জানিয়েছে যে তারা আফিপস্কির পাশাপাশি আস্ত্রাখান অঞ্চলের একটি গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্টেও সফল হামলা চালিয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ ও সামরিক রসদ সরবরাহের লাইন দুর্বল করতে এই ধরনের দীর্ঘপাল্লার ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে।
এদিকে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে যে তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গত রাতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে উড়ে আসা একশ আটচল্লিশটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। পাশাপাশি ওদেসার কাছে পিবদেন্নি বন্দরে ইউক্রেনীয় সামরিক কার্গো বহনকারী একটি জাহাজ লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষার জন্য একটি নতুন ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেছেন।
এই সংঘাতের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। পশ্চিমা মিত্রদের সাথে কিয়েভে সাম্প্রতিক বৈঠকে ইউক্রেনীয় নেতৃত্ব সামরিক উৎপাদন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে পশ্চিমা নেতাদের এই অবস্থানকে তীব্র সমালোচনা করে যুদ্ধ জিইয়ে রাখার চক্রান্ত বলে অভিহিত করা হয়েছে।
