রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বিদ্যুৎ বিল শূন্য করতে সোলার প্যানেলে এসি চালানো

উম্মাহ কণ্ঠ

প্রকাশিত: : মে ১৭, ২০২৬, ০৭:৪০ পিএম

বিদ্যুৎ বিল শূন্য করতে সোলার প্যানেলে এসি চালানো

তীব্র গরমে স্বস্তি পেতে এয়ার কন্ডিশনার বা এসি ব্যবহার প্রতিনিয়ত বাড়ছে, কিন্তু মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলের বড় অঙ্ক মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিচ্ছে। এই সাধারণ অর্থনৈতিক সংকটের একটি স্থায়ী ও পরিবেশবান্ধব সমাধান হতে পারে সোলার প্যানেলে এসি চালানো। একবার এই সোলার পাওয়ার সিস্টেম সঠিকভাবে স্থাপন করলে দীর্ঘ সময় প্রায় নিখরচায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা পাওয়া সম্ভব।

সাধারণত মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোতে ১.৫ টনের এসি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

১.৫ টনের একটি এসির পাশাপাশি ঘরে থাকা ফ্যান, লাইট, টেলিভিশন এবং রেফ্রিজারেটরের মতো জরুরি বৈদ্যুতিক সরঞ্জামগুলো সচল রাখতে অন্তত ৩ কিলোওয়াট ক্ষমতার সোলার সিস্টেম প্রয়োজন। এই ক্ষমতার সিস্টেমে সাধারণত ৫ থেকে ৮টি সোলার প্যানেল ছাদ বা উন্মুক্ত স্থানে বসাতে হয়। এসি বা ফ্রিজের মতো ভারী বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালানোর জন্য অন-গ্রিড সোলার সিস্টেম সবচেয়ে কার্যকর ও সাশ্রয়ী বলে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। এই বিশেষ ব্যবস্থায় দিনের বেলা সরাসরি প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতে ঘরের সব লোড চলে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে জমা থাকে।

ব্যাটারির বাড়তি ঝামেলা ও দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ খরচ না থাকায় এটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। রাতের বেলা বা মেঘলা দিনে গ্রিডে জমা রাখা সেই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে এসি চালানো সহজ হয়। যদিও সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রাথমিক খরচ কিছুটা বেশি মনে হতে পারে, তবে ভালো মানের সোলার প্যানেল ও ইনভার্টার পরবর্তী ২০ থেকে ২৫ বছর নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেয়। বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি আর্থিক প্রণোদনা, সহজ কিস্তি সুবিধা এবং নেট মিটারিং ব্যবস্থার কারণে এই প্রাথমিক খরচ এখন সাধারণ গ্রাহকদের নাগালের মধ্যে চলে এসেছে।

banner
Link copied!